NSU IV 2012: বাংলা বিতর্ক প্রতিযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী!
বাংলা বিতর্ক প্রতিযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী:-
১. বিতর্ক সংসদীয় পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে।
২. প্রত্যেক দলে ৪ জন করে বিতার্কিক থাকবেন। ৩ জন বিতর্ক করবেন, ১ জন বিকল্প। তবে বিকল্প বিতার্কিকের নাম প্রতিযোগিতার শুরুতেই রেজিস্ট্রার করতে হবে। একজন বিতার্কিক একাধিক দলে বিতর্ক করতে পারবেন না।
৩. প্রতিযোগিতায় সবগুলো দল নিয়ে প্রাথমিক ৬ রাউন্ড বিতর্ক অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে পাওয়ার ম্যাচ হবে (i.e., ১vs২, ৩vs৪....)। ৬ রাউন্ড শেষে প্রথম ৮টি দলকে কোয়ার্টার ফাইনালে উত্তীর্ণ করা হবে। সমান পয়েন্ট পাওয়া দলের ক্ষেত্রে স্পীকার পয়েন্ট এর মাধ্যমে র্যাংকিং নির্ধারন করা হবে। সমান স্পীকার পয়েন্ট এর ক্ষেত্রে টস এর মাধ্যমে র্যাংকিং নির্ধারিত হবে। কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে ফোল্ডিং পদ্ধতিতে বিতর্ক অনুষ্ঠিত হবে (১vs৮, ২vs৭...)।
৪. ড্র এর দিনে(আগামী বৃহস্পতিবার) প্রত্যেক দলের অন্তত একজন প্রতিনিধির উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।
৫. বিতর্কের ফলাফল সমঝোতার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। যদি বিচারকরা ১০ মিনিটের মধ্যে সমঝোতায় পৌছাতে ব্যর্থ হন, সেক্ষেত্রে ব্যালটের মাধ্যমে ফলাফল নির্ধারিত হবে।
৬. ফলাফল ভেন্যুতেই ঘোষিত হবে। সমঝোতার ভিত্তিতে ফলাফল নির্ধারিত হলে শুধুমাত্র মাননীয় স্পীকার মূল্যায়ন প্রদান করবেন এবং মূল্যায়নের মাধ্যমে ফলাফলের যথার্থতা প্রমান করার চেষ্টা করবেন। ফলাফল ব্যালটে নির্ধারিত হলে প্রত্যেক বিচারক তার ব্যালটটি নিজেই প্রকাশ করবেন এবং মূল্যায়নের মাধ্যমে তার যথার্থতা প্রমান করার চেষ্টা করবেন।
৭. প্রত্যেক বিতর্কের ৩০ মিনিট পূর্বে ১টি করে বিষয় প্রদান করা হবে। টসের মাধ্যমে পক্ষ নির্ধারিত হবে। পক্ষ নির্ধারনের সময় উভয় দলের প্রতিনিধির উপস্থিতি আবশ্যক। যদি কোন দলের প্রতিনিধি উপস্থিত না থাকে সেক্ষেত্রে অন্য দলটি পক্ষ নির্ধারনের পূর্ণ সুবিধা পাবে।
৮. বিতার্কিকরা স্পীকারকে নম্বর প্রদানের মাধ্যমে মূল্যায়ন করতে পারবেন। স্পীকার অন্য বিচারকদের মূল্যায়ন করবেন। উভয় মূল্যায়নের উপর ভিত্তি করে প্রথম ১৫ বা ২০ জন বিচারককে ৬ রাউন্ড শেষে নির্ধারন করা হবে।
বাংলা বিতর্কের গুরুত্বপূর্ণ নিয়মাবলীঃ-
১. প্রত্যেক বক্তা গঠনমূলক পর্বে ৭ মিনিট করে বক্তব্যের সুযোগ পাবেন। যুক্তিখন্ডন ৩ মিনিট।
২. গঠনমূলক পর্বের দ্বিতীয় মিনিটের পর থেকে ষষ্ঠ মিনিটের শেষ পর্যন্ত ‘POI’ ও ‘POP/POO’ উত্থাপন করা যাবে। যুক্তিখন্ডন পর্বের প্রথম মিনিটে কোন পয়েন্ট উঠানো যাবেনা, শেষ দুই মিনিটে ‘POP/POO’ উত্থাপন করা যাবে।
৩. একজন বক্তাকে নিম্নে ২টি ‘POI’ গ্রহন করতেই হবে। অন্যথায় ঋণাত্নক নম্বর প্রদান করা হবে।
৪. একজন বক্তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৩টি ‘POP/POO’ উত্থাপন করা যাবে।
৫. প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পরে বিরোধীদলীয় নেতা তার দলীয় অবস্থান গুছিয়ে নেয়ার জন্য ১ মিনিট সময় পাবেন।
৬. বিতর্কে প্রধানমন্ত্রীর সংজ্ঞা যদি মেনে নেয়া হয় তবে তা পুরো বিতর্কে পরিবর্তন করা যাবেনা। তবে এখানে উল্লেখ থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত বিতর্কের প্রপঞ্চ কিংবা সূচক (parameter) সংজ্ঞায়নের অন্তর্ভুক্ত হবেনা। বিরোধীদল এর বাইরে গিয়ে নতুন সূচক আনতে পারবেন, তবে তাকে প্রমান করতে হবে যে, উক্ত সূচকটি বিতর্কের সাথে সংশ্লিষ্ট।
৭. বিরোধীদলীয় নেতা তার বক্তব্যের সময়ে যদি এমন বিষয়ের অবতারনা করেন যা কিনা সংসদীয় রীতি বিরোধী (i.e., চ্যালেঞ্জ না করে সংজ্ঞায়নের পরিবর্তন, সরকারি দলের অবস্থানকে নিজের অবস্থান হিসেবে আখ্যা দেয়া, সরকারি দলের অবস্থানের ভুল ব্যাখ্যা দেয়া, ইত্যাদি যা বিতর্ককে অন্য দিকে প্রবাহিত করতে পারে) তবে তা সাথে সাথে ‘POP/POO’ এর মাধ্যমে স্পীকারের দৃষ্টি আকর্ষন করতে হবে। অন্যথায় পরবর্তিতে এই নিয়ে কোন ‘POP/POO’ উত্থাপন করা যাবেনা।
৮. সংসদ সদস্য কোন নতুন প্রেক্ষাপটের অবতারনা করতে পারবেন না। যুক্তিখন্ডন পর্বে কোন নতুন যুক্তির অবতারনা করা যাবেনা।
৯. ট্রুয়িজম ও টটোলজি ছাড়া অন্য কোন ক্ষেত্রে সংজ্ঞা চ্যালেঞ্জ করা যাবেনা। সংজ্ঞা চ্যালেঞ্জের ক্ষেত্রে অবশ্যই ট্রুয়িজম ও টটোলজি উল্লেখ করতে হবে।
Regards,
CA: Asif Tiger Newaz
DCA: Sanaul Haque Himel
DCA: Tauhid Hossain Papon
DCA: Galib Ibn Anwarul Azim
DCA: Badruddoza Jewel
***আপনাদের যৌক্তিক মূল্যায়ন ও মতামত কাম্য।
১. বিতর্ক সংসদীয় পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে।
২. প্রত্যেক দলে ৪ জন করে বিতার্কিক থাকবেন। ৩ জন বিতর্ক করবেন, ১ জন বিকল্প। তবে বিকল্প বিতার্কিকের নাম প্রতিযোগিতার শুরুতেই রেজিস্ট্রার করতে হবে। একজন বিতার্কিক একাধিক দলে বিতর্ক করতে পারবেন না।
৩. প্রতিযোগিতায় সবগুলো দল নিয়ে প্রাথমিক ৬ রাউন্ড বিতর্ক অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে পাওয়ার ম্যাচ হবে (i.e., ১vs২, ৩vs৪....)। ৬ রাউন্ড শেষে প্রথম ৮টি দলকে কোয়ার্টার ফাইনালে উত্তীর্ণ করা হবে। সমান পয়েন্ট পাওয়া দলের ক্ষেত্রে স্পীকার পয়েন্ট এর মাধ্যমে র্যাংকিং নির্ধারন করা হবে। সমান স্পীকার পয়েন্ট এর ক্ষেত্রে টস এর মাধ্যমে র্যাংকিং নির্ধারিত হবে। কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে ফোল্ডিং পদ্ধতিতে বিতর্ক অনুষ্ঠিত হবে (১vs৮, ২vs৭...)।
৪. ড্র এর দিনে(আগামী বৃহস্পতিবার) প্রত্যেক দলের অন্তত একজন প্রতিনিধির উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।
৫. বিতর্কের ফলাফল সমঝোতার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। যদি বিচারকরা ১০ মিনিটের মধ্যে সমঝোতায় পৌছাতে ব্যর্থ হন, সেক্ষেত্রে ব্যালটের মাধ্যমে ফলাফল নির্ধারিত হবে।
৬. ফলাফল ভেন্যুতেই ঘোষিত হবে। সমঝোতার ভিত্তিতে ফলাফল নির্ধারিত হলে শুধুমাত্র মাননীয় স্পীকার মূল্যায়ন প্রদান করবেন এবং মূল্যায়নের মাধ্যমে ফলাফলের যথার্থতা প্রমান করার চেষ্টা করবেন। ফলাফল ব্যালটে নির্ধারিত হলে প্রত্যেক বিচারক তার ব্যালটটি নিজেই প্রকাশ করবেন এবং মূল্যায়নের মাধ্যমে তার যথার্থতা প্রমান করার চেষ্টা করবেন।
৭. প্রত্যেক বিতর্কের ৩০ মিনিট পূর্বে ১টি করে বিষয় প্রদান করা হবে। টসের মাধ্যমে পক্ষ নির্ধারিত হবে। পক্ষ নির্ধারনের সময় উভয় দলের প্রতিনিধির উপস্থিতি আবশ্যক। যদি কোন দলের প্রতিনিধি উপস্থিত না থাকে সেক্ষেত্রে অন্য দলটি পক্ষ নির্ধারনের পূর্ণ সুবিধা পাবে।
৮. বিতার্কিকরা স্পীকারকে নম্বর প্রদানের মাধ্যমে মূল্যায়ন করতে পারবেন। স্পীকার অন্য বিচারকদের মূল্যায়ন করবেন। উভয় মূল্যায়নের উপর ভিত্তি করে প্রথম ১৫ বা ২০ জন বিচারককে ৬ রাউন্ড শেষে নির্ধারন করা হবে।
বাংলা বিতর্কের গুরুত্বপূর্ণ নিয়মাবলীঃ-
১. প্রত্যেক বক্তা গঠনমূলক পর্বে ৭ মিনিট করে বক্তব্যের সুযোগ পাবেন। যুক্তিখন্ডন ৩ মিনিট।
২. গঠনমূলক পর্বের দ্বিতীয় মিনিটের পর থেকে ষষ্ঠ মিনিটের শেষ পর্যন্ত ‘POI’ ও ‘POP/POO’ উত্থাপন করা যাবে। যুক্তিখন্ডন পর্বের প্রথম মিনিটে কোন পয়েন্ট উঠানো যাবেনা, শেষ দুই মিনিটে ‘POP/POO’ উত্থাপন করা যাবে।
৩. একজন বক্তাকে নিম্নে ২টি ‘POI’ গ্রহন করতেই হবে। অন্যথায় ঋণাত্নক নম্বর প্রদান করা হবে।
৪. একজন বক্তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৩টি ‘POP/POO’ উত্থাপন করা যাবে।
৫. প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পরে বিরোধীদলীয় নেতা তার দলীয় অবস্থান গুছিয়ে নেয়ার জন্য ১ মিনিট সময় পাবেন।
৬. বিতর্কে প্রধানমন্ত্রীর সংজ্ঞা যদি মেনে নেয়া হয় তবে তা পুরো বিতর্কে পরিবর্তন করা যাবেনা। তবে এখানে উল্লেখ থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত বিতর্কের প্রপঞ্চ কিংবা সূচক (parameter) সংজ্ঞায়নের অন্তর্ভুক্ত হবেনা। বিরোধীদল এর বাইরে গিয়ে নতুন সূচক আনতে পারবেন, তবে তাকে প্রমান করতে হবে যে, উক্ত সূচকটি বিতর্কের সাথে সংশ্লিষ্ট।
৭. বিরোধীদলীয় নেতা তার বক্তব্যের সময়ে যদি এমন বিষয়ের অবতারনা করেন যা কিনা সংসদীয় রীতি বিরোধী (i.e., চ্যালেঞ্জ না করে সংজ্ঞায়নের পরিবর্তন, সরকারি দলের অবস্থানকে নিজের অবস্থান হিসেবে আখ্যা দেয়া, সরকারি দলের অবস্থানের ভুল ব্যাখ্যা দেয়া, ইত্যাদি যা বিতর্ককে অন্য দিকে প্রবাহিত করতে পারে) তবে তা সাথে সাথে ‘POP/POO’ এর মাধ্যমে স্পীকারের দৃষ্টি আকর্ষন করতে হবে। অন্যথায় পরবর্তিতে এই নিয়ে কোন ‘POP/POO’ উত্থাপন করা যাবেনা।
৮. সংসদ সদস্য কোন নতুন প্রেক্ষাপটের অবতারনা করতে পারবেন না। যুক্তিখন্ডন পর্বে কোন নতুন যুক্তির অবতারনা করা যাবেনা।
৯. ট্রুয়িজম ও টটোলজি ছাড়া অন্য কোন ক্ষেত্রে সংজ্ঞা চ্যালেঞ্জ করা যাবেনা। সংজ্ঞা চ্যালেঞ্জের ক্ষেত্রে অবশ্যই ট্রুয়িজম ও টটোলজি উল্লেখ করতে হবে।
Regards,
CA: Asif Tiger Newaz
DCA: Sanaul Haque Himel
DCA: Tauhid Hossain Papon
DCA: Galib Ibn Anwarul Azim
DCA: Badruddoza Jewel
***আপনাদের যৌক্তিক মূল্যায়ন ও মতামত কাম্য।
English Debating Style
The tournament is run in the British Parliamentary (BP) Style. Each team is comprised of two speakers and there are four teams in each room. Two teams speak for a proposed motion (the Government bench) and two teams speak against it (the Oppostion bench). Each speaker is allocated 7 minutes speaking time, during which speakers are allowed to ask questions, know as Points of Information (POIs), between the first and sixth minute. Teams have 15 minutes to prepare for each debate.
0 comments:
Post a Comment